নিজস্ব প্রতিবেদক:
শেষ সময়ের বেচাকেনায় পছন্দের পশু কিনতে রাজধানীতে কোরবানির হাটের মধ্যেই যেমন ঘুরছেন অনেকে, তেমনি এক হাট থেকে আরেক হাটেও ছুটছেন কেউ কেউ; আর বড় গরু নিয়ে কিছুটা উৎকণ্ঠায় থাকা বেপারীরা রয়েছেন শেষ সময়ের ক্রেতার আশায়।
বাধবার ঢাকায় বেশ কয়েকটি হাট ঘুরে শেষ দিনের কেনাবেচায় দেখা গেছে কেউ জিতছেন, কেউবা হেরেছেন।
আর অন্যরা পছন্দের পশু বিশেষ করে মাঝারি আকারের দেশি গরু কিনতে হাটের একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ঘুরে দরদাম চালিয়ে যাচ্ছেন বিরতিহীন।
গাবতলী, শাহজাহাপুর, রহমতগঞ্জ, বনশ্রীর মেরাদিয়া, মতিঝিলের মধুমিতা হল সংলগ্ন ব্রাদাস ক্লাব মাঠের মত বড় কোরবানির হাট ঘুরে বেচাকেনায় হিসাবের অঙ্ক ছিল অনেকটা এমনই।
অনেকের প্রত্যাশা রাতে গরুর দাম আরও কমবে। কারণ এখনও গাবতলী, শাহজাহানপুর, আফতাবনগর, মেরাদিয়া হাটে প্রচুর গরু বিক্রির অপেক্ষায় আছে।
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে পশুর হাটে কেনাবেচা শুরু হয়েছে।
রাজধানীর অন্যতম প্রধান পশুর হাট মতিঝিলের মধুমিতা হল সংলগ্ন ব্রাদাস ক্লাব মাঠে পশু বিক্রি জমে উঠেছে সকাল থেকেই। বিভিন্ন জেলা থেকে এই হাটে গরু এসেছে। দেশি গরুর পাশাপাশি খামারের বিদেশি জাতের গরুও আছে।
হাট ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন জাতের বিশাল আকৃতির গরু রয়েছে এই হাটে। বড় গরুর একেকটার ওজন ১৫ থেকে ৩৫ মন পর্যন্ত হবে বলে দাবি বিক্রেতাদের।
অস্ট্রেলিয়ান, আফ্রিকান জাতসহ রয়েছে দেশি মীরকাদিম, লম্বা শিংয়ের সিদ্ধি গরু।
এসব বড় আকৃতির একেকটা গরুর দাম ৭ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। এমন গরু খুব একটা বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে না। বিক্রেতাদের অনেকেই বিরক্তি নিয়ে বললেন, সবাই শুধু দাম জানতে চায়।
বরগুনা জেলার আমতলী থানার মোঃ খলিলুর রহমান খান বরগুনা থেকে মোট ২৭ টি গরু নিয়ে এসেছেন রাজধানীর মতিঝিলের মধুমিতা হল সংলগ্ন ব্রাদার্স ক্লাবের মাঠে ।এর মধ্যে বাজারের সেরা গরুটি তার দখলে।কালো গরুটির আনুমানিক ওজন ৩০ থেকে ৩৫ মন ।গরুটির আদর করে নাম রেখেছেন জয় বাংলা। এ গরুটিকে তিনি সবসময় দেশীয় খাবার খেয়ে বড় করেছেন।
৮৯এছাড়াও তিনি আরেকটি দেশী জাতের লাল গরু নিয়ে এসেছেন এটির আনুমানিক ওজন ৩০ থেকে ৩২ মন ।তিনি বলেন তার গরু গুলোকে কখনো মোটাতাজাকরণের কোনো ওষুধ প্রয়োগ করা হয়নি ।সব সময় দেশীয় প্রাকৃতিক খাবার দেওয়া হয়েছে ।তিনি আশাবাদী তার গরু গুলো সঠিক মূল্য এই বাজারে বিক্রি হবে।
Leave a Reply